বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারির পরামর্শ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
আতঙ্ক নয়, প্রতিরোধ, চাই সচেতনতা
জন সমাবেশ এড়িয়ে চলুন
প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হবেন না
বেশী করে পানি খান
বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারির পরামর্শ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
জন সমাবেশ এড়িয়ে চলুন
প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হবেন না
বেশী করে পানি খান
যেহেতু আমি হাটে বেচতে বসিনি ছেপে
তাই আমার কবিতা আমারই মত সোজা
এ কবিতা হোক বা না হোক
কঠিন কঠিন শব্দে বোনা দূর্গে
কবিরা বসে থাকে নিজের রাজ্যে
আমার নিজের কোন রাজ্য নেই
আমি কবি নই আমি পথচারী
জিবিত, বেঁচে বত্রে জীবনের
পথ চলি
তাই যে যা বলে বলুক
পাগল ভেবে ঢিল ছুড়ুক
আমার কবিতা আমার নিজের একার
সে কবিতা হোক বা না হোক
কেউ পড়ুক না পড়ুক
এ আমি নিজে নিজে পড়ি
ছুঁয়ে ছুয়ে দেখি
নিজের ছোট ছোট অনুভূতি
আমি
নবীন শিশুর আধো আধো বুলির মত
এক আঙ্গুলে বাংলা টাইপ করি
চোখের সুমুখে একে একে ফুটে ওঠে
ব আ-কার অনুস্বর লয়ে আকার।
আহারে কী সুখ! ভাঙ্গা ভাঙ্গা কথায়
নিজের শিশুটার গলা শোনায় যে সুখ
আমি এখন বুঝি, বাংলার শব্দ ছোঁয়ায়
কী সুখ!
আচ্ছা বলোতো দেখি, মনে আছে কিনা
আমার শরীরের কোথায় তুমি ছুঁলে বা বলা ভালো
চুমু খেলে আমি ফনা তোলা বিষাক্ত সাপের মতই
রসবতী হয়ে ঢলে পড়তাম তোমার কোলে?
বলিনা কিছু। ও বলে, জানি সে সব তোমার
মনে নেই আজ।Read More »
via বাঙালি বিপ্লব
সোজাসাপটাই বলি। বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় আর পাঁচজন ভারতীয়র মতোই হুবহু এক মশলার মিশ্রণ একথা মেনে নিতে আমার অন্তত আপত্তি। হাইপথেসিস। চাই এটা ঘোর বিতর্কিত হোক। আমি মহামূর্খ প্রমাণিত হই। দৈর্ঘ -প্রস্থে অসমান বাঙালির মস্তিস্কের ধুসর কোষে কোথাও একটা তারতম্য ঘটে গেছে। তার জন্য ইংরেজ আগমন তথা এনলাইটেনমেন্ট তত্ত্ব, অষ্টাদশ থেকে বিংশ শতকের শুরু অবধি কলকাতা অবিভক্ত ভারত রাজধানী থেকে যাওয়া, বাংলায় নবজাগরণ,ইয়ং বেঙ্গল ইত্যাদির অপেক্ষার দরকার হয় না। বাংলা কবিতার শুরুটাই তো সনাতনপন্থী ভারতীয় সংস্কৃতির উল্টো স্রোতে হেঁটে ! মূলত পালি এবং প্রাকৃত সংস্কৃতি এবং সামাজিক রীতি থেকে ! বৈদিক এবং বৌদ্ধ ধর্ম ও জৈন ধর্মীয় রীতিনীতির সাথে অসমঞ্জস ও পরস্পরবিরোধী ।
বেদ-ব্রাহ্মণ্যতন্ত্রের হাঁড়িকাঠে সহজেই মাথা পেতে দিয়েছিল বাঙালি একথার বিপক্ষে প্রমাণ বাংলার লোক পার্বণ,লোক সংস্কৃতি, লৌকিক দেবদেবীর ভরভরন্ত সংসার। বারো মাসে তেরো পার্বণ তো বাংলার ঐতিহ্য। আম ভারতীয়র কিনা জানা নেই।
আরও যা আমার কাছে বৈশিষ্ট্যসূচক তা হলো বৈদিক-ব্রাহ্মণ্য সমাজ-ব্যবস্থার সমান্তরাল অব্রাহ্মণ,বেদ-উপনিষদ বিরোধী মুক্তচিন্তার সূত্রপাত বাঙালির যাপনে গড়ে উঠেছিল। মহামতি গোখেলের সে প্রবাদপ্রতিম উক্তি আজ ভৌগলিকভাবে দীর্ণ হলেও ,অবাঙালি সমাজের হালের ঠাট্টার বিষয় হলেও তার মৌলিক সারবত্তা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। “বাংলা আজ যা ভাবে ভারতবর্ষ তা কাল ভাববে।”
তার বামপন্থা থেকে ,অস্তিবাদে বিশ্বাস,তার পঠন-পাঠন,বিদ্রোহ,প্রেম,দার্শনিকতায় ,তার কবিতায়,গানে সে আলাদা থেকেছে,থাকবে।
যতই তাকে মুখের বিপ্লবী, আত্মসুখী,কাপুরুষ ভেবে হর্ষিত হন অন্যরা,মৌলবাদী চিন্তার কাছে তার পরাভব যে নিতান্ত অসম্ভব, তার প্রমাণ যশুরে কই বিদ্যাসাগর। চল্লিশ থেকে সত্তরের দশকের রাজনৈতিক দ্রোহ । প্রমাণ ওপার বাংলার অগণিত শহীদ ও এখনও জীবিত মুক্তিযোদ্ধা , মুক্তচিন্তা ভালোবেসে মুসলিম উগ্রবাদের আগ্রাসনে খুন হয়ে যাওয়া অভিজিৎ-রা।
Russia’s having produced half a dozen great masters of prose between the middle of the nineteenth century and the first decade of the twentieth.
আসামের পার্বত্য অঞ্চল থেকে জন্ম নিয়ে ‘বরাক’ নদী আসামের শেরপুরের কাছে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়েছে। তারপর সিলেট জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার সীমান্তে মারকুলীতে এই দুই নদী এক হয়ে কালনি নামে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে ভৈরব বাজারের কাছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। তারপর আরো দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে চাঁদপুরের কাছে পদ্মা নদীতে এসে মিলিত হয়েছে। আরো দক্ষিণে নোয়াখালী,লক্ষ্মীপুর ও ভোলা দ্বীপের মধ্য দিয়ে মেঘনা বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। সুরমাসহ মেঘনা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৫০ মাইল। চাঁদপুরের কাছে পদ্মা-মেঘনার মিলিত ধারাটি মেঘনা নামে পরিচিত। এখান থেকে আনুমানিক ৯০ মাইল দক্ষিণে চারটি মোহনা পথে মেঘনা বঙ্গোপসাগরে মিলেছে। এগুলোর স্থানীয় নাম তেঁতুলিয়া, শাহবাজপুর, সন্দ্বীপ ও হাতিয়া।